জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাংস্কৃতিক সংরক্ষণ

বাংলা মা

[প্রথমে ও শেষে ব্যাকগ্রাউন্ডে স্লোগান-

‘চেয়েছিলাম অধিকার হয়ে গেলাম রাজাকার’]

বাংলা মা মরে নাই রাজপথ ছাড়িস না

প্রজারাই বানাইসে রাজা অগো হক মারিস না।

নিজের গদি বাঁচাইতে অন্যের পায়া নাড়িস না

কালির হাতে গুলি দিয়া নিজের কাল আনিস না।।

দুই পায়ে গেলো ফিরলো চাইর কান্ধে কেমনে

সহপাঠীর পিঠে তুই লাঠি ভাঙ্গোস কেমনে।

খালি মায়ের কোল তর কোল খালি হইবো এমনে

বাংলার বাঘ বাকস্বাধীনতা হারায় যেমনে।

দাবি করতে গেলে রাস্তা বন্ধ করতে হইবো ক্যা?

রক্ত দিয়া সবুজ করলো আবার লাল হইলো ক্যা?

বইনের গায়ে হাত কোন ভাইয়ে সইবো ক?

হাসপিটালে ঢুইকা পিটায় পুলিশ খাড়ায় রইলো ক্যা?

আলোর দেখা পাইবো কই হেলমেট পইরা থাকে এডি

আগামী ভবিষ্যতের খাইসে মাথা কালো রাতে

যেমনে ছাত্র মারসে এডি

হানা দিয়া যেমনে পাক করতে গেসে ভাগ

অমনি মানচিত্র কাটসে এডি।

স্বৈরাচার সব সাইড হ

ছাত্র লাগবো ফুটবল না লীগ এর থে বাইর হ।

সিট বাঁচায় না পিঠ তর নোংরামির থে বাইর হ

মতৃ লালের জবাব চাই

দামাল যা হাতে পাবি লগে লইয়া বাইর হ।

বাংলা মা মরে নাই রাজপথ ছাড়িস না

প্রজারাই বানাইসে রাজা অগো হক মারিস না।

নিজের গদি বাঁচাইতে অন্যের পায়া নাড়িস না

কালির হাতে গুলি দিয়া নিজের কাল আনিস না।।

মেট্রিক পাস কইরা দেশের বাইরে যাবার প্লান ক্যান?

স্মার্ট হইসে নামেই নাই সুব্যবস্থার ধ্যান খ্যাল।

দালাল রাখসে আটকায়া কবে ছাড়বো জ্যাম ট্যাম

সময় জং খুলার ভায়া একলগে তেল দেন।

এমন দেশ লাগবো না যেইখানে

কথা কইত গেলেই হাতকড়া লইবো কাটগড়ায়

নাইলে ধরবো ছুরি কাঠ গলায়।

আমার মা ধরায় বায়ান্ন একাত্তর চেতনায় চব্বিশে সবায়।

কিসের এতো বড়াই প্রটোকল ছাড়া বাইর হ দেখবি রাস্তায় কান্দে সবাই

ধাক্কা খায় চাক্কার লগে জীবন যুদ্ধে লড়াই।

এই সোনার বাংলাদেশে এ সোনার পোলাগো রক্ত ঝরে হক করতে আদায়।

গড়তে পারে নাই তাই মেরামত করতে হইবো

রাস্তা বন্ধ এহন কারণ সারা জীবন চলতে হইবো।

হাতের জবাব হাতে একলগে লইয়া কইতে হইবো

একটা সাঈদ চুপ হাজারটা একলগে কইবো

বাংলা মা মরে নাই রাজপথ ছাড়িস না

প্রজারাই বানাইসে রাজা অগো হক মারিস না।

নিজের গদি বাঁচাইতে অন্যের পায়া নাড়িস না

কালির হাতে গুলি দিয়া নিজের কাল আনিস না।।